যুবতী গৃহিনী মাকে
আমি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ছোট গ্রামের ছেলে, নাম কবির। আমাদের এলাকাটা কৃষিপ্রধান এলাকা, তাই গ্রামের সব লোকই বলতে গেলে কৃষিজীবী। আমার বাবা ও তার ব্যাতিক্রম নয়। আমার দাদুর কাছ থেকে আমার বাবা উত্তরাধিকার সুত্রে পেয়েছিলেন মাত্র ২ বিঘা জমি, সেটাকে নিজের পরিশ্রমে আমার বাবা করেছিলেন ১২ বিঘা।
আমাদের গ্রামতা খুব খরা প্রবন এলাকায় অবস্থিত, তাই পানির সংকট খুব বেশি, গ্রামের মাঠে তাই যেসব ফসল খরাতে বাচতে পারে, সেসব ফসলই করা হয়।
আমাদের বাড়ি একটা বিশাল বড় মাঠের এক ধারে অবস্থিত, ঘরের সামনে থেকে আশেপাশে সবগুলি মাঠই আমার বাবার, সেগুলিতে, কখন ও গম, কখন ও ভুট্টা, কখন ও আখ, কখন ও শাকসব্জির চাষ হয়। আমার বাবা খুব পরিশ্রমী লোক, দিনরাত ক্ষেতের পিছনেই সময় ব্যয় করেন, শারীরিক দিক থেকে উনি ও বেশ শক্তিশালী, লম্বা চওড়া শরীরের লোক।
আমি নিজে ও এখন ১৯ বছর বয়সে একদম ৬ ফুট লম্বা তাগড়া জওয়ান হয়ে উঠেছি। গ্রামের স্কুলেই আমি স্কুল ফাইনাল দিয়ে, এখন বাড়ীর কাছের একটা কলেজে ১২ ক্লাসে নতুন ভক্তি হয়েছি ২ দিন গিয়েছি।
কলেজের লেখাপড়া বাদে বাকি সময়টা আমি মা এর সাথেই সময় কাটাই, তবে মাঝে মাঝে আমিও বাবাকে ক্ষেতের কাজে সাহায্য করি। আমার ছোট আরেকটা বোন আছে, ওর বয়স ১২, ক্লাস সিক্স এ পড়ে। বোনটা ও হলো মার মত অনেক সুন্দরী তার দুধ গুলো ও এখন বড় হইতেছে। আর সবার ছোট ভাইটার বয়স মাত্র ১ বছর।
আমার মা বেশ সুন্দরী মহিলা ছিলে একদম সাদা চমড়া মানুষ, উনি ও কৃষক পরিবারের সন্তান, তাই ছোট বেলা থেকে কাজ কর্ম করতে করতে আমার মায়ের শরীরটা ও বেশ শক্ত পোক্ত হয়ে গড়ে উঠেছে। আমার মা ও বেশ লম্বা, ৫ ফিট ৬ ইঞ্চি, বুকের সাইজ ও বেশ বড়, এখনো একদম খাড়া খাড়া দুধ গুলো।
ছোট ভাইটা হবার পর থেকে বুক আবার ও ফুলে ফেপে দাঁড়িয়েছে ৪২ ইঞ্চিতে একদম শক্ত। চওড়া লম্বা ফিগারের কারনে আমার মায়ের কোমর ও দেখতে বেশ সরু মনে হয়, যদি ও সেটার সাইজ মোটেই কম না, ৩৬ ইঞ্চি, আর পাছাটা তো একদম সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেছে, ৪৬ ইঞ্চি পাছা।
গ্রামের মহিলারা সারাদিন ঘরের সব কাজ ছাড়াও স্বামীকে ক্ষেতে কাজ করতে ও নানাভাবে সাহায্য করে, তাই এখন ৩৪ বছর বয়সে ও আমার মা এর শরীর যেন একটু ও টলে নাই। মার বিয়ে হয়েছে ১৪ বছর বয়সে। শারীরিক কাজ কর্ম করার কারনে আমাদের গ্রামের সব ছেলে মেয়েগুলির শরীরই বেশ তাগড়া, শক্ত পোক্ত।
চলবে,,,,,,।।।
0 Comments