--১টা সন্তান দিতে পারোনা কেমন পুরুষ তুমি।
--সময় হোক আপনেই হবে। প্লিজজজ এই সব নিয়ে আর চিল্লাচিল্লি করিওনা।
--চিল্লাচিল্লি করবোনা মানে। বিয়ে ৬ বছর হয়ে গেলো একটি সন্তান এখন পযর্ন্ত হলোনা।
--আরে হবে হবে ধৈর্য ধরো।
--আমি আর ধৈর্য ধরতে পারবোনা। আমি তোমাকে ডিভোর্স দিতে চাই হাসিব।
--পাগল হয়ে গিয়েছো তুমি। সব সময় ডিভোর্স ডিভোর্স করো।
--তুমি যে কখনোই আমাকে মাতৃত্বেই স্বাদ দিতে পারবেনা সেইটা আমি ভালো করেই জানি।
হাসিব : এইটা তোমার ভুল ধারনা।
--আমার ধারনা কখনোই ভুল হতে পারেনা। আমারা যতোবার ডাক্তারের কাছে গিয়েছি। ততোবার ডাক্তার কি বলছে না বলছে বা রিপোর্ট কি আছে সেটা আমাকে দেখাওনি। এর মানে এটাই বুঝায় তুমি একটা হি/জ/ড়া ৩য় লিঙ্গের মানুষ। তুমি কখনোই বাবা হতে পারবেনা।
"স্ত্রীর মুখে এমন কথা শুনা মাত্রই হাসিব রাগান্বিত হয়ে কশে একটি থাপ্পড় দেয়।
হাসিব : ঠাসসস! ঠাসসস! অনেক কথা বলা শিখে গেছো তাইনা। ঠিক আছে যাও আমাকে ডিভোর্স দাও।
--হ্যা ডিভোর্সেই দিবো তোমাকে।
হাসিব : ঠিক আছে দিও।
"এর পরে হাসিবের স্ত্রী উপমা কান্না করতে করতে রুমে এসে শুয়ে পরে। ( এই কান্না করা অবস্থায় কখন যে ঘুমিয়ে পরে বুঝতেই পারেনা )
"উপমার ঘুম ভাঙ্গার পরে দেখতে পায় ঘড়িতে রাত একটা বাজে। কিন্তু তার পাশে হাসিব নেই। যা দেখে উপমা একটু আশ্চর্য হয়। কারন এতো রাত পযর্ন্ত কখনোই হাসিব বাহিরে থাকেনা।
"তাই হাসিব কে খুজার জন্যে বাসিরে আসলেই উপমা দেখতে পায় তার শাশুড়ি মায়ের রুমে এখনো বাতি জলতেছে। যেই ব্যাক্তির রুমে রাত ৮টা বাজলেই অন্ধকার হয়ে যায় সেই ব্যক্তির রুমে এতো রাজে বাতি জলতেছে কিছুতো কাহিনী আছে।
"এই সব ভেবে চুপিসারে রুমের সামনে যেতেই উপমা শুনতে পায়।
--দেখ হাসিব আমি চাই তুই উপমাকে ডিভোর্স দে। আরে বাবা ওই মেয়ে কখনোই মা হতে পারবে না সেটা তুই ভালো করেই জানিস। এছারা আমার ও ইচ্ছে করে নাতি পুতির মুখ দেখতে। (হাসিবের মা)
হাসিব : বিশ্বাস করো মা আমি উপমাকে অনেক ভালোবাসি। ওকে আমি ডিভোর্স দিতে পারনা। যতোইও মা হতে না পারুক।
--তোকে যে এতো অপোমান করে কেমনে সজ্য করিশ এই সব। তুই বলে দিতে পারিশ না যে সমস্যা আমার না সমস্যা তোমার।
হাসিব : যদি বলি উপমা ডাক্তার সব রিপোর্টে বলেছে সমস্যা তোমার তাহলে মেয়েটা অনেক কষ্ট পাবে। ভেঙ্গে পরবে তাই বলিনা।
--তাই বলে এতো কিছু সজ্য করবি।
হাসিব : আমার কোন সমস্যা নেই মা। বিশ্বাস করো মেয়েটা অনেক ভালো, লক্ষি?
"স্বামির মুখে এই সব শুনার পরে উপমা সেখানেই কান্না করে ফেলে? আর মনে মনে বলতে থাকে এই ফেরেস্তার মতো স্বামী কে কতোই না কষ্ট দিয়েছি। আল্লাহ্ তুমি আমাকে মাপ করে দিও।
0 Comments